আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর, বিমানবন্দরের ঘটনায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ

অক্টোবর 4, 2026 5:22 অপরাহ্ন
আখতারুজ্জামানকে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার আদালত। ৪ অক্টোবর, রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম এই আদেশ দেন। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় এ আদেশ এল।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী আদালতের এই আদেশের তথ্য জানিয়েছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিমান্ড শেষে আজই তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতের শুনানি ও যুক্তিতর্ক

আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে তাঁর পক্ষে জামিনের আবেদন জানানো হয়।

আরও পড়ুন  Iran-US Tensions: Why is Tehran Choosing Confrontation Over Surrender? The Explosive Truth Behind the Scenes

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

শুনানিতে আখতারুজ্জামানের আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিমানবন্দরের ঘটনা, মামলা ও গ্রেপ্তারের ক্রম

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলিসংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এর সঙ্গে আছে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ।

এসব অভিযোগে ১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাতে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। পরদিন ২ অক্টোবর, শুক্রবার বিকেলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: আত্মহত্যার প্ররোচনায় গ্রেপ্তার এমপি

৩ অক্টোবর, শনিবার আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষ হওয়ার পর রোববার তাঁকে আবার আদালতে তোলা হয়।

আখতারুজ্জামানের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

আখতারুজ্জামান কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে টানা দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একসময় তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতিও ছিলেন।

দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নৌকার প্রার্থীর কাছে হেরে যান। ২০২৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেও তিনি পরাজিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে, ১৩ ডিসেম্বর তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

আরও পড়ুন  ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট

মামলার তদন্ত এখনো চলছে। রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়নি বলে পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে।

📢 সবার আগে চাকরির খবর ও তাজা সংবাদের আপডেট পেতে আমাদের- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!

Juger Alo

তথ্যের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী Juger Alo টিম। পাঠকদের কাছে দ্রুত সঠিক খবর, চাকরি ও ক্যারিয়ারের আপডেট এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পৌঁছে দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now