---Advertisement---

প্রবাসীদের এনআইডি আবেদনের নিয়ম: দেশে না ফিরেই সম্ভব

August 24, 2026 9:25 AM
প্রবাসীদের এনআইডি আবেদন করার নিয়ম
---Advertisement---

Table of Contents

প্রবাসে থেকেও কি এনআইডি কার্ড করা সম্ভব?

সংক্ষেপে বললে — হ্যাঁ, সম্ভব। প্রবাসীরা এখন নির্দিষ্ট কিছু দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করে সরাসরি এনআইডি কার্ডের জন্য নিবন্ধন করতে পারেন, দেশে ফিরে আসার দরকার হয় না। নিচে পুরো প্রক্রিয়াটা বিস্তারিত দিলাম, তার আগে একটা বাস্তব সমস্যার কথা বলি।

প্রবাসে থাকা অনেকেই বছরের পর বছর এনআইডি কার্ড ছাড়াই কাটিয়ে দেন, কারণ তাদের ধারণা এই কাজের জন্য দেশে ফিরতেই হবে। অথচ ছুটি নিয়ে দেশে আসা মানে বাড়তি খরচ, কাজের ক্ষতি, আর অনেক সময় নিয়োগকর্তার অনুমতি পাওয়াও কঠিন।

এই বিভ্রান্তির কারণে বাস্তব জীবনে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন প্রবাসীরা।

  • দেশে জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনো কাজে এনআইডি ছাড়া আইনি প্রক্রিয়া এগোয় না
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা রেমিট্যান্স সংক্রান্ত কিছু সেবায় এনআইডি নম্বর ছাড়া আটকে যেতে হয়
  • বৈধ এনআইডি না থাকলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বা রেমিট্যান্স-সংক্রান্ত কিছু সরকারি সুবিধা পেতেও সমস্যা হতে পারে
  • পরিবারের কোনো জরুরি প্রয়োজনে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে গেলে এনআইডি না থাকলে জটিলতা বাড়ে
  • দেশে ফিরে স্বল্প সময়ের ছুটিতে নির্বাচন অফিসে গিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর মতো সময়ই থাকে না

এই সমস্যার সমাধান আসলে অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে, শুধু সঠিক প্রক্রিয়াটা জানা থাকলেই হয়।

দূতাবাসে বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া
অনলাইন আবেদনের পর দূতাবাসে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দিতে হয়

প্রবাসীদের এনআইডি আবেদন কীভাবে করবেন?

সরাসরি উত্তর হলো — নিজের অবস্থানরত দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনে গিয়ে অনলাইন আবেদনের সাথে বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দিতে হয়। নিচে পুরো প্রক্রিয়াটা ধাপে ধাপে দেওয়া হলো।

আবেদনের আগে প্রস্তুতি চেকলিস্ট

শুরু করার আগে এই কাগজগুলো হাতের কাছে রাখুন, তাহলে দূতাবাসে গিয়ে ফিরে আসতে হবে না।

  • বাংলাদেশি পাসপোর্টের মূল কপি ও ফটোকপি
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ (অনলাইন ভার্সন)
  • বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিটের কপি
  • পিতা-মাতার এনআইডির ফটোকপি (থাকলে)
  • বর্তমান প্রবাসের ঠিকানার প্রমাণ (ইউটিলিটি বিল বা রেসিডেন্স কার্ড)
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি

যাদের ইতিমধ্যে পুরনো এনআইডি বা ভোটার নম্বর আছে, তাদের জন্য প্রক্রিয়াটা ভিন্ন — এক্ষেত্রে নতুন নিবন্ধনের বদলে তথ্য হালনাগাদ বা সংশোধনের আবেদন করতে হয়।

দূতাবাসে গিয়ে অনলাইন আবেদন কীভাবে করবেন?

নিজের অবস্থানরত দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশন এই সেবা দিচ্ছে কিনা প্রথমে যাচাই করুন, কারণ সীমিত সংখ্যক দেশে এখন পর্যন্ত এই কার্যক্রম চালু আছে। যেসব দেশে চালু আছে সেখানে দূতাবাসের নির্ধারিত ওয়েবসাইট বা কাউন্টার থেকে NID অনলাইন সার্ভিস পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য, জন্মতারিখ ও ঠিকানা পূরণ করতে হয়।

আবেদন সাবমিট করার পর দূতাবাস থেকে একটা নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হয়, যেদিন সশরীরে গিয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দিতে হবে। এই ধাপে দশ আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা স্ক্যান ও সরাসরি ছবি তোলা হয়।

দূতাবাসের এই সেবা সম্প্রতি আরও কয়েকটা নতুন দেশে সম্প্রসারিত হয়েছে, তাই আগে যে দেশে সেবা ছিল না সেখানেও এখন খোঁজ নেওয়া ভালো — নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সবশেষ তালিকা পাওয়া যায়।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বায়োমেট্রিক তথ্য জমা নেওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সাত কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি এবং দুই কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য আপলোড নিশ্চিত করার কথা বলেছে। এর আগে এই প্রক্রিয়া অনেক বেশি সময়সাপেক্ষ ছিল।

কোন কোন দেশে দূতাবাসে এনআইডি সেবা চালু আছে?

শুরুতে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ইতালি ও মালয়েশিয়া — এই কয়েকটি দেশে সীমিত আকারে এই সেবা চালু হয়েছিল। এরপর ধাপে ধাপে তালিকা বড় হয়েছে, আর বর্তমানে ১৪টিরও বেশি দেশের বিভিন্ন স্টেশনের মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি বিতরণ কার্যক্রম চলছে। নতুন করে সিঙ্গাপুর, বাহরাইন, সুইডেন, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডেও এই সেবা যুক্ত হচ্ছে।

তালিকাটা ঘন ঘন বদলায়, তাই নিজের দেশে সেবা চালু আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সবশেষ আপডেট দেখে নিন, অথবা নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে সরাসরি যোগাযোগ করুন — কারণ কখনো কখনো ঘোষিত পরিকল্পনাও পরে স্থগিত হতে পারে।

নিচের ভিডিওতে দূতাবাসে গিয়ে পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটা হাতে-কলমে দেখানো আছে।

দেশে এসে এনআইডি করতে চাইলে কী করবেন?

প্রবাসে সেবা না থাকলে বা ছুটিতে দেশে আসার পরিকল্পনা থাকলে, দেশে এসেও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে সাধারণ নতুন ভোটার নিবন্ধনের মতোই স্থানীয় উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ফরম-২ জমা দিতে হয়।

এই প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত নতুন ভোটার হতে কি কি কাগজ লাগে পোস্টে ধাপে ধাপে দেখানো আছে, তবে প্রবাসী হিসেবে বাড়তি যা লাগবে তা নিচে দিলাম।

  1. পাসপোর্টের ভিসা পাতার ফটোকপি (বিদেশে থাকার প্রমাণ হিসেবে)
  2. বিমানের বোর্ডিং পাস বা টিকিটের কপি (সাম্প্রতিক আগমনের প্রমাণ)
  3. প্রবাসী পরিচয় সংক্রান্ত অতিরিক্ত ঘোষণাপত্র, যা কিছু অফিস চাইতে পারে

একবার একজন প্রবাসী স্বজনকে দেশে ফেরার এক সপ্তাহের মধ্যেই এনআইডি করাতে সাহায্য করেছিলাম। সবচেয়ে বড় শিক্ষা ছিল — আগেভাগেই অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করে রাখলে দেশে আসার পর শুধু বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্যই সময় বের করলে চলে, পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু করতে হয় না।

আবেদনের পর কতদিনে কার্ড হাতে পাবেন?

দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করলে অনলাইন NID কপি পেতে সাধারণত ত্রিশ থেকে ষাট দিনের মতো সময় লাগে। স্মার্ট কার্ড এর চেয়ে পরে, ব্যাচ আকারে বিতরণ হয়, তাই এটা হাতে পেতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে।

এই সময়ের মধ্যে অনলাইন কপি ডাউনলোড করে কাজ চালানো যায়। এজন্য NID সার্ভিসের ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্টে লগইন করার সময় মোবাইলে NID Wallet অ্যাপ দিয়ে ফেস ভেরিফিকেশন করতে হয় — এটা নিরাপত্তার জন্য বাধ্যতামূলক একটা ধাপ, তাই আগে থেকেই অ্যাপটি ফোনে ইনস্টল করে রাখলে ভালো। কীভাবে এই কপি ডাউনলোড করবেন তা নিয়ে স্লিপ নাম্বার দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড বের করার নিয়ম পোস্টে বিস্তারিত দেখানো আছে।

আবেদনে কি কোনো ফি লাগে?

নতুন ভোটার নিবন্ধন বা এনআইডি আবেদন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে — প্রথমবার আবেদনের জন্য সরকার কোনো ফি নেয় না। তবে পরবর্তীতে তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন হলে সংশোধনের ধরন অনুযায়ী ১১৫ থেকে ৩৪৫ টাকা পর্যন্ত ফি প্রযোজ্য হয়, আর হারানো কার্ড পুনরায় তোলার (রি-ইস্যু) ক্ষেত্রে আলাদা ফি লাগে।

দূতাবাসে আবেদন বনাম দেশে এসে আবেদনের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়দূতাবাসে আবেদনদেশে এসে আবেদন
সময় ও খরচছুটি বা বিমান খরচ লাগে নাদেশে আসার খরচ ও ছুটি লাগে
সেবা প্রাপ্যতাসীমিত সংখ্যক দেশে চালুদেশের যেকোনো উপজেলা অফিসে সম্ভব
অতিরিক্ত কাগজভিসা/রেসিডেন্স প্রমাণভিসা পাতা ও আগমনের প্রমাণ
উপযোগী কাদের জন্যযাদের দেশ তালিকায় আছেযাদের দেশে সেবা নেই বা শিগগিরই দেশে আসছেন

ঘরে বসে ও কম সময়ে করার কিছু কৌশল

  • দূতাবাসে যাওয়ার আগেই অনলাইনে প্রাথমিক তথ্য পূরণ করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিন, এতে সরাসরি লাইনে দাঁড়ানোর দরকার হয় না
  • সব কাগজের ডিজিটাল স্ক্যান কপি ফোনে বা ইমেইলে আগে থেকে রেখে দিন, দূতাবাসের ওয়াইফাই বা প্রিন্টিং সুবিধা না থাকলেও কাজ চলবে
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন ভার্সন না থাকলে দেশে থাকা পরিবারের কাউকে দিয়ে আগেই bdris.gov.bd থেকে যাচাই করিয়ে নিন
  • একই সময়ে পরিবারের একাধিক সদস্যের আবেদন করাতে চাইলে দূতাবাসে একসাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার চেষ্টা করুন, এতে বারবার যাওয়া লাগবে না
এনআইডি আবেদনে সাধারণ ভুল এড়ানোর উপায়
পাসপোর্ট ও জন্ম নিবন্ধনের তথ্যে গরমিল থাকলে আবেদনে দেরি হতে পারে

এই প্রক্রিয়ায় প্রবাসীরা যেসব ভুল করে বসেন

সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো, নিজের দেশে সেবা চালু আছে কিনা যাচাই না করেই সরাসরি দূতাবাসে চলে যাওয়া। সেবা না থাকলে পুরো ট্রিপটাই বৃথা যায়, তাই আগে থেকে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া জরুরি।

আরেকটা ভুল হলো, পাসপোর্টের তথ্যের সাথে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য না মেলানো। নামের বানান বা জন্মতারিখে সামান্য গরমিল থাকলেও আবেদন প্রক্রিয়ায় দেরি হতে পারে।

কিছু মানুষ আবার বায়োমেট্রিকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার পরও ব্যস্ততার কারণে নির্ধারিত তারিখে যান না। নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে আবার কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতে পারে, তাই একবার তারিখ পেলে সেটা মিস না করাই ভালো।

  • দূতাবাসে যাওয়ার আগে অবশ্যই ওয়েবসাইটে সেবার তালিকা ও সময়সূচি যাচাই করুন
  • সব কাগজে নাম ও জন্মতারিখ অভিন্ন আছে কিনা আবেদনের আগেই মিলিয়ে দেখুন
  • বায়োমেট্রিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার পর সেটা ক্যালেন্ডারে সংরক্ষণ করে রাখুন, মিস করলে বাড়তি সময় নষ্ট হবে

এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললে প্রথমবারেই আবেদন গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়ে, যদিও দেশ ও দূতাবাসভেদে কিছু বাড়তি শর্ত থাকতে পারে।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রবাসে থেকে কি এনআইডি করা যায়?

হ্যাঁ, বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশন যেসব দেশে এই সেবা চালু করেছে, সেখানে প্রবাসীরা অনলাইনে আবেদন করে ও সশরীরে বায়োমেট্রিক দিয়ে এনআইডি করতে পারেন।

এনআইডি আবেদনের জন্য কি দেশে ফিরতে হবে?

না, যেসব দেশে দূতাবাসে এই সেবা চালু আছে সেখানে দেশে ফেরার দরকার হয় না। তবে যেসব দেশে এখনো সেবা চালু হয়নি, সেক্ষেত্রে দেশে এসে উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের কতদিনে কার্ড পাওয়া যায়?

সাধারণত অনলাইন কপি পেতে ৩০ থেকে ৬০ দিনের মতো সময় লাগে। স্মার্ট কার্ড এর চেয়ে পরে ব্যাচ আকারে বিতরণ হয়, তাই সেটা হাতে পেতে আরও কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

আবেদনে কোনো ফি লাগে কি?

নতুন ভোটার নিবন্ধন বা এনআইডি আবেদন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে পরে তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন হলে ১১৫ থেকে ৩৪৫ টাকা পর্যন্ত ফি প্রযোজ্য হয়।

সব দেশে কি এই সেবা আছে?

না, এখনো সব দেশে চালু হয়নি। বর্তমানে ১৪টিরও বেশি দেশে এই সেবা চলছে এবং তালিকা নিয়মিত সম্প্রসারিত হচ্ছে, তাই নিজের দেশে সেবা আছে কিনা তা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে বা দূতাবাসে যোগাযোগ করে যাচাই করে নেওয়া ভালো।

আবেদনের পর যা মাথায় রাখা দরকার

কার্ডের তথ্যে কোনো ভুল ধরা পড়লে সেটা দ্রুত সংশোধন করে নেওয়া উচিত, কারণ প্রবাসে থেকে সংশোধনের প্রক্রিয়া দেশে বসে করার চেয়ে বেশি সময় নিতে পারে। এই বিষয়ে বিস্তারিত এনআইডি তথ্য সংশোধনের নিয়ম পোস্টে দেখানো আছে।

স্মার্ট কার্ডের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে স্মার্ট কার্ড স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম পোস্টে দেখানো পদ্ধতিতে দূতাবাস থেকেও চেক করা যায়। কার্ডের কপি রঙিন প্রিন্ট করে রাখতে চাইলে এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করার নিয়ম পোস্টও কাজে লাগবে।

প্রবাসী কল্যাণ সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা ও নথিপত্র সম্পর্কে জানতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও তথ্য পাওয়া যায়, যা এনআইডির পাশাপাশি অন্যান্য প্রবাসী সেবা বুঝতে সহায়ক হবে।

লেখাটা মূলত একজন প্রবাসী স্বজনকে এই প্রক্রিয়ায় সাহায্য করার অভিজ্ঞতা থেকে সাজানো, আমি নির্বাচন কমিশনের কোনো প্রতিনিধি না। তাই নির্দিষ্ট দেশের দূতাবাসে সেবা চালু আছে কিনা বা কোনো বাড়তি শর্ত আছে কিনা, সেটা আবেদনের আগে সরাসরি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

Juger Alo

Juger Alo — Fresh Info. Trusted Source. We deliver fast, accurate, and objective updates on education, career, the latest technology, and trending global news. Stay ahead and keep yourself updated with the right information. Stay with us.

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now