হাঙ্গেরির উত্তরাঞ্চলের নিয়েরশেউইফালু পাবলিক কবরস্থানে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী এক কবর খোঁড়ার প্রতিযোগিতা। হাঙ্গেরিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব সেমেটারি মেইনটেইনার্স অ্যান্ড অপারেটরস আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কোদাল ও শাবল হাতে অংশ নেন ৩৮ জন প্রতিযোগী। রবার্ট নাগি ও তাঁর সতীর্থ লাসলো কিশের দল সবচেয়ে দ্রুত সময়ে কবর খুঁড়ে চ্যাম্পিয়ন হন।
সংক্ষেপে
- অংশগ্রহণকারী: ৩৮ জন (১৯টি দুই সদস্যের দল)
- স্থান: নিয়েরশেউইফালু পাবলিক কবরস্থান, উত্তর হাঙ্গেরি
- বিজয়ী: রবার্ট নাগি ও লাসলো কিশ, সময় ১ ঘণ্টা ২১ মিনিট
- পুরস্কার: ২ লাখ হাঙ্গেরিয়ান ফরিন্ট (প্রায় ৭৮ হাজার টাকা)
কেন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন
কবর খোঁড়ার পেশা ও এই কাজের দক্ষতা মানুষের সামনে তুলে ধরাই ছিল আয়োজকদের লক্ষ্য। পাশাপাশি মৃত্যু নিয়ে সমাজে প্রচলিত সংকোচ কমানোর উদ্দেশ্যও ছিল এর পেছনে।
হাঙ্গেরিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব সেমেটারি মেইনটেইনার্স অ্যান্ড অপারেটরস প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে। শনিবার উত্তর হাঙ্গেরির নিয়েরশেউইফালু এলাকার একটি সরকারি কবরস্থানে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
নিয়ম যা মানতে হয়েছে প্রতিযোগীদের
প্রতিযোগিতায় প্রতিটি কবরের নির্দিষ্ট মাপ বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কবরটি হতে হবে ১ দশমিক ৬ মিটার গভীর, ২ মিটার লম্বা এবং ৮০ সেন্টিমিটার চওড়া।
গ্রীষ্মের তাপে শুকিয়ে শক্ত হয়ে যাওয়া মাটিতে এই নির্ধারিত মাপের কবর দ্রুততম সময়ে খুঁড়তে হয়েছে প্রতিযোগীদের। মোট ১৯টি দুই সদস্যের দল এতে অংশ নেয়।
যেভাবে জয় পেলেন রবার্ট নাগি ও লাসলো কিশ
রবার্ট নাগি ও তাঁর সতীর্থ লাসলো কিশ নির্ধারিত মাপের কবর খুঁড়তে সময় নেন ১ ঘণ্টা ২১ মিনিট। এই সময়েই তাঁরা প্রতিযোগিতার শীর্ষস্থান দখল করেন।
বিজয়ী দল পুরস্কার হিসেবে পায় ২ লাখ হাঙ্গেরিয়ান ফরিন্ট, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭৮ হাজার টাকার সমান।
বিজয়ী রবার্ট নাগি বলেন, এই প্রতিযোগিতায় সৌন্দর্যের চেয়ে গতিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে বাস্তবে দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার সময় নির্ধারিত মাপ ঠিক রাখা এবং কবরটি সুন্দরভাবে তৈরি করাও জরুরি বলে জানান তিনি।
ℹ️ আরও কন্টেন্ট নিয়মিত পেতে- ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন!









